মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

এক নজরে পৌরসভা

 

 

পৌরসভার নাম ঃ

 

 নবীনগর পৌরসভা

 

স্থাপিতঃ

 

১২/০৯/১৯৯৯খ্রি:

আয়তন    t

  ১৬.৯০  বর্গ কিমি

শ্রেণীঃ

 

প্রথম

ওয়ার্ড সংখ্যা ঃ

 ০৯

উপজেলাঃ

 

নবীনগর

জনসংখ্যাঃ

 ৫২,৫৯৮জন (২০০১ সনের আদশুমারী অনুযায়ী)

জেলাঃ

 

ব্রা‏‏হ্মণবাড়িয়া

 

 

বিভাগঃ

 

চট্টগ্রাম

 

 

 

 

পৌরসভার সাথে যোগাযোগের মাধ্যম

 

ঠিকানাঃ

 

নবীনগর পৌরসভা, ব্রা‏‏হ্মণবাড়িয়া।

টেলিফোন নম্বরঃ

 

০৮৫২৫ ৭৫৫৫৫

ফ্যাক্স নম্বরঃ

 

০৮৫২৫ ৭৫৫৫৫

মোবাইল নম্বরঃ

 

০১৭২৭২৮৭৬৩৬ (সচিব)

ই-মেইল নম্বরঃ

 

nabinagarpaurashava@yahoo.com

ওয়েব সাইট ঠিকানা (যদি থাকে)ঃ

 

----------------------------------------

 

পৌরসভার সাধারণ তথ্যঃ

 

1.1        পৌরসভার সংক্ষিপ্ত বিবরণ (৫০০ শব্দের মধ্যে)ঃ  ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ঐতিহ্যবাহী  তিতাস  নদী   বিধৌত,সুর সম্রাট ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁর জন্মভূমি নবীনগর উপজেলা সদরের নবীনগর পূর্ব ইউনিয়ন, শ্রীরামপুর ইউনিয়ন,ইব্রাহীমপুর ইউনিয়নের আংশিক  অংশ  নিয়ে গণ-প্রজাতন্ত্রী  বাংলাদেশ সরকার সরকারী নীতিমালার আলোকে গেজেট প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ১৯৯৯খ্রি: সনের ১২ সেপ্টেম্বর  নবীনগর পৌরসভা গঠন করেন । নবীনগর  পৌরসভা  গঠনের পেছনে যে মানুষটির অবদান সবচেয়ে বেশি তিনি  হলেন তৎকালীন মাননীয় জাতীয় সংসদ সদস্য মরহুম এ্যাডভোকেট আব্দুল  লতিফ। পৌরসভা গঠনের পর যে  মানুষটি পৌরসভার সার্বিক উন্নয়নের জন্য  আপ্রাণ চেষ্টা  করে  নবীনগর  পৌরসভাকে একটি  পর্যায়ে  নিয়ে  আসেন  তিনি হলেন তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক জনাব মো: শেফাউল করিম। নবীনগর পৌরসভার সীমানা সংক্রান্ত জটিলতার কারণে মহামান্য হাইকো©র্ট রীট পিটিশন চলমান থাকায় এক যুগ পেরিয়ে গেলেও অদ্যাবধি নবীনগর পৌরসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি। এ বিষয়ে মাননীয় জাতীয় সংসদ সদস্য এডভোকেট শাহ জিকরম্নল আহমেদ খোকনসহ নবীনগরের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন, যাতে দ্রততম সময়ের মধ্যে নবীনগর পৌরসভার নির্বাচন সম্পন্ন করা যায়।

 

তৎকালীন সময়ে ইউনিয়ন পরিষদ হতে নির্বাচিত মেম্বার সর্বজনাব মো: সিরাজুল ইসলাম, মোঃ কামাল মিয়া, মো: শহিদ মিয়া,   জগদীশ চন্দ্র বর্মন, মো: জাহের মিয়া, মো: ছিদ্দিক মিয়া, মো: কবির হোসেন, মো: আবুল  কাউছার,যদুনাথ ঋষি,নারায়ন চন্দ্র কর্মকার,স্বপ্না ঘোষ,ছালেহা বেগম ও বাসনা  রাণী পালকে সরকার নবীনগর পৌরসভার সদস্য হিসেবে মনোনীত করেন। নবীনগর পৌরসভার সদস্য জনাব মো: আবুল কাউছার ৩০/০৮/২০০৭খ্রি:  তারিখে  এবং  বাসনা  রাণী  পাল  ০৪/০২/২০০৯খ্রি: তারিখে  মৃত্যুবরণ  করেন। এছাড়া ছালেহা বেগম  তৎকালীন ইউনিয়ন পরিষদ হতে নির্বাচিত হওয়ার পর শারীরিক ও মানসিক   সমস্যার  কারণে ইউনিয়ন  পরিষদ  তথা  পৌরসভার  কোন  কার্যক্রমে  অংগ্রহণ  করতে পারেননি।  

 

পৌর প্রশাসক হিসেবে যারা দায়িত্ব পালন করেছেন তারা হলেন :

 

জনাব মো: শেফাউল করিম, প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার,২০/০২/২০০০ খ্রি:  হতে ২৮/০১/২০০২ খ্রি:  পর্যন্ত

জনাব এ,টি,এম,নাসির মিয়া,প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার.২৮/০১/২০০২ খ্রি:  হতে ০১/০১/২০০৩ খ্রি: পর্যন্ত

জনাব এস,এম,জাকারিয়া হক,প্রশাসক ও সহকারী কমিশনার(ভূমি),০১/০১/২০০৩ খ্রি:  হতে ১৮/০১/২০০৩ খ্রি:  পর্যন্ত

জনাব মো:আশরাফুল কবীর,প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার.১৮/০১/২০০৩ খ্রি:   হতে ৩০/০১/২০০৩ খ্রি:পর্যন্ত

জনাব মো: মলাই মিয়া,প্রশাসক, নবীনগর                        ৩০/০১/২০০৩খ্রি:   হতে ১১/১২/২০০৮ খ্রি:পর্যন্ত,

জনাব মো: ফরিদুল ইসলাম মজুমদার,প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার,২৪/১২/০৮ খ্রি:  হতে ৩০/১২/০৯ খ্রি:  পর্যন্ত এবং জনাব মো: সামছুল ইসলাম,প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার,১০/১২/২০০৯খ্রি:  হতে  নবীনগর  পৌরসভার  প্রশাসকের  দায়িত্ব  পালন  করে  আসছেন  ।

 

 

নবীনগর  পৌরসভা   গঠনের   পর  আর্থিক  সক্ষমতার  বিবেচনায়   গণপ্রজাতন্ত্রী   বাংলাদেশ    সরকারের   স্থানীয়   সরকার,   পল্লী   উন্নয়ন   ও  সমবায়   মন্ত্রণালয়ের    স্থানীয়   সরকার   বিভাগের   পৌর-৩  শাখার   ২৩-০৯-২০০৮খ্রি:  তারিখের   প্রজ্ঞাপন  নং-পৌর-৩/চবি-গ-৩৬/৯৮/১১৮৩  মূলে    নবীনগর   পৌরসভাকে   গ’’  শ্রেণীর   পৌরসভা   হতে   খ’’   শ্রেণীর  পৌরসভাতে   উন্নীত   করেন   । পরবর্তীতে  আর্থিক  সক্ষমতার  বিবেচনায়   গণপ্রজাতন্ত্রী   বাংলাদেশ    সরকারের   স্থানীয়   সরকার   পল্লী   উন্নয়ন   ও  সমবায়   মন্ত্রণালয়ের    স্থানীয়   সরকার   বিভাগের   পৌর-২  শাখার  ২৪-১২-০৯খ্রি:  তারিখের   প্রজ্ঞাপন  নং-পৌর-৩/চবি-গ-৩৬/৯৮/১৫৭৬  মূলে    নবীনগর   পৌরসভাকে   ‘‘খ’’  শ্রেণীর   পৌরসভা   হতে   ‘‘ক’’   শ্রেণীর  পৌরসভাতে   উন্নীত   করেন  ।

 

 

নবীনগর পৌরসভা গঠনের পর উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে নবীনগর শহরের যানজট নিরসনকল্পে শহরের বাহিরে আলীয়াবাদ গ্রামে নতুন পৌর বাসস্ট্যান্ড নির্মানে বিশেষ অবদান রাখেন সাবেক প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব মো: শেফাউল করিম। এছাড়া নবীনগর পৌরসভার বর্তমান অস্থায়ী কার্যালয়টি নবীনগর পৌরসভার অনুকুলে স্থায়ী বন্দোবস্ত প্রদানের বিষয়ে যাদের অবদান চির স্মরনীয় হয়ে থাকবে তারা হলেন সাবেক প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব মো:ফরিদুল ইসলাম মজুমদার ও বর্তমান পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার  জনাব মো: সামছুল ইসলাম। নবীনগর শহর রক্ষাবাধেঁর উপর দিয়ে মাঝিকাড়া ব্রীজ হতে মনু বাবুর ঘাট পর্যন্ত নবীনগর শহরের সৌন্দর্য বর্ধনকারী রাস্তাটি নির্মানের বিষয়ে যার অবদান নবীনগরের মানুষ বহুদিন মনে রাখবে তিনি হলেন বর্তমান পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব মো: সামছুল ইসলাম। নিজস্ব সম্পত্তি না থাকলেও সম্প্রতি ০.০৮একর সম্পত্তি পৌরসভার অনূকূলে সরকার হতে ক্রয়ের ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়, যা প্রায় শেষ পর্যায়ে।

     

 

নবীনগর পৌরসভার মধ্যে বৃটিশ আমলের  দেওয়ানী আদালত, নবীনগর সরকারী  কলেজ, সহকারী পুলিশ সুপারের কার্যালয়সহ অন্যান্য সরকারী-বেসরকারী অফিস আদালত,স্কুল-কলেজ বিদ্যমান আছে । তবে নবীনগর পৌরসভায় ফায়ার সার্ভিস না থাকায় সাম্প্রতিক সময়ে আগুন লেগে বেশ কয়েকটি মার্কেটসহ কোটি কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি সাধিত হয়েছে । নবীনগর পৌরসভা প্রথম শ্রেণীর পৌরসভা হলেও পৌরসভার নিজস্ব অফিস ভবন নেই ।

 

নবীনগর সদর হতে উত্তর দিকে ভৈরবের সাথে যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম হলো  নৌপথ  । নবীনগর সদর হতে পূর্ব দিকে জেলা সদরের সাথে যোগাযোগের মাধ্যমও  নৌপথ । তবে স্থল পথে জেলা সদরের সাথে যোগাযোগের  ক্ষেত্রে কুমিলার  কোম্পানিগঞ্জ হয়ে সিলেট চট্টগ্রাম মহাসড়ক দিয়ে  প্রায় দীর্ঘ তিন ঘন্টা সময় ব্যয় করতে হয় । রাজধানীর সাথে যোগাযোগের ক্ষেত্রেও  কুমিলস্নার কোম্পানিগঞ্জ  সড়ক ব্যবহার করা লাগে, যার যাতায়াত ব্যবস্থা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ।