মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিস

উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিস,নবীনগর,ব্রাহ্মণবাড়িয়া

 

১৯৮৪ইং সনে নিকার এর সিদ্ধান্ত মোতাবেক সারা দেশেকে ১০টি জোনে বিভক্ত করা হয়। সাব জরিপ বর্ষে কার্যক্রম আরম্ভ করা হয়। এ কার্যালয়ে মোট কর্মকর্তা কর্মচারীর সংখ্যা ১৯জন। তাছাড়া মাঠজরিপ চলাকালে প্রয়োজন মোতাবেক মৌসুমী কর্মচারী নিয়োগ দেওয়া হয়। ভূমি জরিপ কার্যক্রমের ০৪টি স্তর মাঠ, তসদিক,আপত্তি ও আপীল স্তর। বর্তমানে এ কার্যালয়ে শুধুমাত্র কিছু সংখ্যক মৌজার আপীল স্তরের কার্যক্রম চলিতেছে।

  • কী সেবা কীভাবে পাবেন
  • প্রদেয় সেবাসমুহের তালিকা
  • সিটিজেন চার্টার
  • সাধারণ তথ্য
  • সাংগঠনিক কাঠামো
  • কর্মকর্তাবৃন্দ
  • তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা
  • কর্মচারীবৃন্দ
  • বিজ্ঞপ্তি
  • ডাউনলোড
  • আইন ও সার্কুলার
  • ফটোগ্যালারি
  • প্রকল্পসমূহ
  • যোগাযোগ

 

স্তরের নাম

সেবার ধরন, বিবরন ও ভূমি মালিকের করণীয়

সেবা প্রদানে নিয়োজিত কর্মকর্তা/কর্মচারী

বিজ্ঞপ্তি প্রচার

জরিপ শুরুর পূর্বে মাইকিং ও পত্রিকায় বিজ্ঞপনসহ ব্যাপক জনসংযোগ করা হয়। এসময় ভূমি মালিকগণকে নিজ নিজ জমির আইল/সীমানা চিহৃিত করে রাখতে হবে। 

 সেটেলমেন্ট অফিসার /সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার

ট্রাভার্স

কোন মৌজারনক্সাসম্পূর্ণ নতুন করে প্রস্তত করতে যে কাঠামো স্থাপন করা হয় সেটাই ট্রাভার্স। অতঃপর পি-৭০ সীটের মাধ্যমে মৌজার নক্সা প্রস্ত্তত করা হয়। কোন মৌজার পুরোনো নক্সা অর্থাৎ ব্লু-প্রিন্ট সীটের উপর জরিপ করার ক্ষেত্রে ট্রাভার্স করা হয় না।

ট্রাভার্স ক্যাম্প কর্মকর্তা/ট্রাভার্স সার্ভেয়ার

কিস্তোয়ার

এই স্তরে আমিনদল প্রতি খন্ড জমি পরিমাপ করে মৌজার নক্সা অঙ্ককের মাধ্যমে কিস্তোয়ার অথবা ব্লু-প্রিন্টে পুরোনো নক্সা সংশোধন করেন।

সরদার আমিন/হল্কা অফিসার বা কানুনগো/ক্যাডাস্ট্রাল সার্কেল অফিসার

খানাপুরী

কিস্তোয়ার স্তরে অঙ্কিত নক্সার প্রত্যেকটি দাগের জমিতে উপস্থিত হয়ে আমিনদল জমির দাগ নম্বর প্রদান করেন এবং মালিকের রেকর্ড,দলিলপত্র ও দখল যাচাঁই করে মালিকের নাম, ঠিকানা ও অন্যান্য তথ্য খতিয়ানে লিপিবদ্ধ (খানাপুরী) করেন। এ স্তরে ভূমি মালিকদের কাজ হচ্ছে আমিনদলকে জমির মালিকানা ও দখল সংক্রান্ত প্রমাণাদি উপস্থাপন করা।

সরদার আমিন/হল্কা অফিসার বা কানুনগো/ক্যাডাস্ট্রাল সার্কেল অফিসার

বুঝারত

বুঝারত অর্থ জমি বুঝিয়ে দেওয়া। এ স্তরে আমিনদল কর্তৃক খতিয়ান বা পর্চা জমির মালিককে সরবরাহ (বুঝারত) করা হয়, যা ‘‘মাঠ পর্চা’’ নামে পরিচিত পর্চা বিতরণের তারিখ নোটিশ/পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রচার/এলাকায় মাইকিং/ এর মাধ্যমে জানিয়ে দেয়া হয়। ভূমি মালিকগণ প্রাপ্ত পর্চার সঠিকতা যাঁচাই করে কোনরুপ সংশোধন বা পরিবর্তন আবশ্যক হলে নির্দিষ্ট (Dispute)ফরম পূরণ করে তা আমিনের নিকট জমা দিবেন। হল্কা অফিসার সংশ্লিষ্ট পক্ষগণের শুনানীর মাধ্যমে দ্রুত ঐ সকল বিবাদ নিস্পত্তি করবেন।

সরদার আমিন/হল্কা অফিসার বা কানুনগো/ক্যাডাস্ট্রাল সার্কেল অফিসার

খানাপুরী- কাম বুঝারত

যখন কোন মৌজা ব্লু-প্রিন্ট সীটি জরিপ করা হয় তখন উপরে বর্ণিত খানাপুরী ও বুঝারত স্তরের কাজ একসাথে করা হয়।

সরদার আমিন/হল্কা অফিসার বাকানুনগো/ক্যাডাস্ট্রাল সার্কেল অফিসার

তসদিক বা এ্যাটেষ্টশন

ব্যাপক প্রচারের মাধ্যমে তসদিক স্তরের কাজ সম্পাদিত হয় ক্যাম্প অফিসে। তসদিক স্তরের কাজ সম্পাদন করেন একজন কানুনগো বা রাজস্ব অফিসার। জমির মালিকানা সংক্রান্ত সকল কাগজপত্র ও প্রমাণাদি যাঁচাই করে প্রতিটিবুঝারত খতিয়ান সত্যায়ন করা হয়। এ স্তরেও ভূমি মালিকগণ পর্চা ও নন্সায় কোন সংশোধন প্রয়োজন মনে করলে বিবাদ (Dispute) দাখিল করতে পারেন এবং উপযুক্ত প্রমাণ উপস্থাপন করে তা সংশোধনের সুযোগ নিতে পারেন। তসদিককৃত পর্চা জমির মালিকানার প্রাথমিক আইনগত ভিত্তি (Legal Document) হিসেবে বিবেচিত হয়। তাই এ স্তরের কাজটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তসদিক অফিসার/উপ-সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার

খসড়া প্রকাশনা (ডিপি) ও আপত্তি দায়ের

তসদিকের পর জমির প্রণীত রেকর্ড সর্বসাধারণের প্রদর্শনের জন্য ৩০ দিনে উম্মুক্ত রাখা হয়। এর সময়কাল উল্লেখপূর্বক ক্যাম্প অফিস হতে বিজ্ঞপ্তিও প্রচার করা হয়। ভূমি মালিকগণের নামের আদ্যের অনুযায়ী খতিয়ান বা পর্চা বর্ণানুক্রমিক ক্রমবিন্যাস করে খতিয়ানে নতুন নম্বর দেওয়া হয়। তাই তসদিককৃত খতিয়ানের নতুন নম্বর অর্থাৎ ডিপি নম্বরটি সংগ্রহের জন্য ও ভূমি মালিকগণকে নিজ নিজ পর্চাসহ খসড়া প্রকাশনা (ডিপি) ক্যাম্পে উপস্থিত হতে হয়। ডিপিতে প্রকাশিত খতিয়ান সম্পর্কে কারো কোন আপত্তি বা দাবী থাকলে সরকার নির্ধারিত ১০.০০ টাকার কোর্ট ফি দিয়ে নির্দিষ্ট ফরম পূরণের মাধ্যমে প্রজাস্বত্ব বিধিমালার ৩০ বিধি অনুযায়ী আপত্তি দায়ের করা যাবে।

তসদিক অফিসার/খসড়া প্রকাশনা অফিসার।(উপ-সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার)

আপত্তি শুনানী আপীল শুনানী

ডিপি চলাকালে গৃহীত আপত্তি মামলাসমূহ সংশ্লিষ্ট পগণকে নোটিশ মারফত জ্ঞাত করে নির্দিষ্ট তারিখে,সময় ও স্থানে শুনানী গ্রহণ করে নিস্পত্তি করা হয়। পক্ষগণ নিজে অথবা প্রয়োজনে মনোনীত প্রতিনিধির মাধ্যমে নিজ নিজ দাবী ‘‘আপত্তি অফিসারের’’ নিকট উপস্পাপন করতে পারেন। আপত্তি অফিসার পক্ষগণকে শুনানী দিয়ে, রায় কেস নথিতে লিপিবদ্ধ করে তাঁর সিদ্ধান্ত জানাবেন এবং খতিয়ান বা রেকর্ডে প্রয়োজনীয় সংশোধন আনবেন।

সংশ্লিষ্ট আপত্তি অফিসার/ সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার, উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিস।

 

আপত্তির রায়ে সংক্ষুদ্ধ পক্ষ ৩১ বিধিতে আপীর দায়ের করতে পারেন। নির্ধারিত কোর্ট ফি এবং কার্টিজ পেপারসহ সেটেলমেন্ট অফিসার বরাবর আবেদন দাখিলের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট আপত্তি মামলার রায়ের নকল গ্রহণ করতে হবে। নির্দিষ্ট ফরম পূরণের মাধ্যমে রায়ের ঐ নকলসহ আপীল দায়ের করতে হবে। সংশ্লিষ্ট পক্ষগণকে নোটিশ মারফত জ্ঞাত করে নির্দিষ্ট তারিখ, সময় ও স্থানে শুনানী গ্রহণ করে আপীল নিস্পত্তি করা হয়।

সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার/ চার্জ অফিসার/ জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসার

 

বিষয়

 কোর্ট ফি

 

(ক) আবেদনপত্র

১০.০০ টাকা

 

(খ) নকল (শব্দ)

   * ১ হতে ৩৬০

   * ৩৬১ হতে ৭২০

   * ৭২১ হতে ১০৮১

   * ১০৮২ হতে ১৪৪০

   * ১৪৪১ হতে ১৮০০

   * ১৮০১ হতে ২১৬০

   * ২১৬১ হতে ২৫২০

   * ২৫২১ হতে ২৮৮০

২.৫০ টাকা

৫.০০ টাকা

৭.৫০ টাকা

১০.০০ টাকা

১২.৫০ টাকা

১৫.০০ টাকা

১৭.৫০ টাকা

২০.০০ টাকা

 

চুড়ান্ত প্রকাশনা

আপত্তির রায় প্রদানের তারিখ থেকে (আপত্তির নকল সরবরাহের সময় বাদ দিয়ে) ৩০ দিনের মধ্যে আপীল দায়ের না করলে তামাদির কারণে আপীল অগ্রহণযোগ্য হবে আপীল  স্তরের পরে প্রণীত রেকর্ড বিষয়ে কেবল মাত্র তঞ্চকতা ও করণিক ভূলের অভিযোগ সেটেলমেন্ট অফিসারের নিকট প্রতিকার চাওয়া যায়। 

সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার/ চার্জ অফিসার/ জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসার

 

উপরোক্ত স্তর সমূহের কাজ সমাপ্তির পর আনুসঙ্গিক কার্যাদি সম্পন্ন করে পর্চা ও নক্সা মুদ্রুণ করা হয়। মুদ্রিুত নক্সা ও পর্চা নোটিশ / পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে চুড়ান্ত প্রকাশনায় দেয়া হয়। চুড়ান্তপ্রকাশনার জন্য সংশ্লিষ্ট উপজেলায় একটি ক্যাম্প স্থাপন করা হয়। চুড়ান্ত প্রকাশনার সময়কাল ৩০ কর্মদিবস। এ স্তরে ভুমি মালিকগণ মুদ্রিুত নক্সা ও পর্চা সরকার কর্তৃক নির্ধারিত মুল্যে ক্রয় করতে পারেন।

 

মুদ্রিত খতিয়ান সংশোধন

মুদ্রিত খতিয়ান ও মূল রেকর্ডের সহিত কোন গড়মিল হইলে তাহা সংশোধন করা হয়। ভূমি মালিকগণকে ভুলের বিবরন উল্লেখ করে আবেদন করতে হয়।

সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার।

 

স্তরের নাম

সেবার ধরন, বিবরন ও ভূমি মালিকের করণীয়

সেবা প্রদানে নিয়োজিত কর্মকর্তা/কর্মচারী

বিজ্ঞপ্তি প্রচার

জরিপ শুরুর পূর্বে মাইকিং ও পত্রিকায় বিজ্ঞপনসহ ব্যাপক জনসংযোগ করা হয়। এসময় ভূমি মালিকগণকে নিজ নিজ জমির আইল/সীমানা চিহৃিত করে রাখতে হবে। 

 সেটেলমেন্ট অফিসার /সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার

ট্রাভার্স

কোন মৌজারনক্সাসম্পূর্ণ নতুন করে প্রস্তত করতে যে কাঠামো স্থাপন করা হয় সেটাই ট্রাভার্স। অতঃপর পি-৭০ সীটের মাধ্যমে মৌজার নক্সা প্রস্ত্তত করা হয়। কোন মৌজার পুরোনো নক্সা অর্থাৎ ব্লু-প্রিন্ট সীটের উপর জরিপ করার ক্ষেত্রে ট্রাভার্স করা হয় না।

ট্রাভার্স ক্যাম্প কর্মকর্তা/ট্রাভার্স সার্ভেয়ার

কিস্তোয়ার

এই স্তরে আমিনদল প্রতি খন্ড জমি পরিমাপ করে মৌজার নক্সা অঙ্ককের মাধ্যমে কিস্তোয়ার অথবা ব্লু-প্রিন্টে পুরোনো নক্সা সংশোধন করেন।

সরদার আমিন/হল্কা অফিসার বা কানুনগো/ক্যাডাস্ট্রাল সার্কেল অফিসার

খানাপুরী

কিস্তোয়ার স্তরে অঙ্কিত নক্সার প্রত্যেকটি দাগের জমিতে উপস্থিত হয়ে আমিনদল জমির দাগ নম্বর প্রদান করেন এবং মালিকের রেকর্ড,দলিলপত্র ও দখল যাচাঁই করে মালিকের নাম, ঠিকানা ও অন্যান্য তথ্য খতিয়ানে লিপিবদ্ধ (খানাপুরী) করেন। এ স্তরে ভূমি মালিকদের কাজ হচ্ছে আমিনদলকে জমির মালিকানা ও দখল সংক্রান্ত প্রমাণাদি উপস্থাপন করা।

সরদার আমিন/হল্কা অফিসার বা কানুনগো/ক্যাডাস্ট্রাল সার্কেল অফিসার

বুঝারত

বুঝারত অর্থ জমি বুঝিয়ে দেওয়া। এ স্তরে আমিনদল কর্তৃক খতিয়ান বা পর্চা জমির মালিককে সরবরাহ (বুঝারত) করা হয়, যা ‘‘মাঠ পর্চা’’ নামে পরিচিত পর্চা বিতরণের তারিখ নোটিশ/পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রচার/এলাকায় মাইকিং/ এর মাধ্যমে জানিয়ে দেয়া হয়। ভূমি মালিকগণ প্রাপ্ত পর্চার সঠিকতা যাঁচাই করে কোনরুপ সংশোধন বা পরিবর্তন আবশ্যক হলে নির্দিষ্ট (Dispute)ফরম পূরণ করে তা আমিনের নিকট জমা দিবেন। হল্কা অফিসার সংশ্লিষ্ট পক্ষগণের শুনানীর মাধ্যমে দ্রুত ঐ সকল বিবাদ নিস্পত্তি করবেন।

সরদার আমিন/হল্কা অফিসার বা কানুনগো/ক্যাডাস্ট্রাল সার্কেল অফিসার

খানাপুরী- কাম বুঝারত

যখন কোন মৌজা ব্লু-প্রিন্ট সীটি জরিপ করা হয় তখন উপরে বর্ণিত খানাপুরী ও বুঝারত স্তরের কাজ একসাথে করা হয়।

সরদার আমিন/হল্কা অফিসার বাকানুনগো/ক্যাডাস্ট্রাল সার্কেল অফিসার

তসদিক বা এ্যাটেষ্টশন

ব্যাপক প্রচারের মাধ্যমে তসদিক স্তরের কাজ সম্পাদিত হয় ক্যাম্প অফিসে। তসদিক স্তরের কাজ সম্পাদন করেন একজন কানুনগো বা রাজস্ব অফিসার। জমির মালিকানা সংক্রান্ত সকল কাগজপত্র ও প্রমাণাদি যাঁচাই করে প্রতিটিবুঝারত খতিয়ান সত্যায়ন করা হয়। এ স্তরেও ভূমি মালিকগণ পর্চা ও নন্সায় কোন সংশোধন প্রয়োজন মনে করলে বিবাদ (Dispute) দাখিল করতে পারেন এবং উপযুক্ত প্রমাণ উপস্থাপন করে তা সংশোধনের সুযোগ নিতে পারেন। তসদিককৃত পর্চা জমির মালিকানার প্রাথমিক আইনগত ভিত্তি (Legal Document) হিসেবে বিবেচিত হয়। তাই এ স্তরের কাজটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তসদিক অফিসার/উপ-সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার

খসড়া প্রকাশনা (ডিপি) ও আপত্তি দায়ের

তসদিকের পর জমির প্রণীত রেকর্ড সর্বসাধারণের প্রদর্শনের জন্য ৩০ দিনে উম্মুক্ত রাখা হয়। এর সময়কাল উল্লেখপূর্বক ক্যাম্প অফিস হতে বিজ্ঞপ্তিও প্রচার করা হয়। ভূমি মালিকগণের নামের আদ্যের অনুযায়ী খতিয়ান বা পর্চা বর্ণানুক্রমিক ক্রমবিন্যাস করে খতিয়ানে নতুন নম্বর দেওয়া হয়। তাই তসদিককৃত খতিয়ানের নতুন নম্বর অর্থাৎ ডিপি নম্বরটি সংগ্রহের জন্য ও ভূমি মালিকগণকে নিজ নিজ পর্চাসহ খসড়া প্রকাশনা (ডিপি) ক্যাম্পে উপস্থিত হতে হয়। ডিপিতে প্রকাশিত খতিয়ান সম্পর্কে কারো কোন আপত্তি বা দাবী থাকলে সরকার নির্ধারিত ১০.০০ টাকার কোর্ট ফি দিয়ে নির্দিষ্ট ফরম পূরণের মাধ্যমে প্রজাস্বত্ব বিধিমালার ৩০ বিধি অনুযায়ী আপত্তি দায়ের করা যাবে।

তসদিক অফিসার/খসড়া প্রকাশনা অফিসার।(উপ-সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার)

আপত্তি শুনানী আপীল শুনানী

ডিপি চলাকালে গৃহীত আপত্তি মামলাসমূহ সংশ্লিষ্ট পগণকে নোটিশ মারফত জ্ঞাত করে নির্দিষ্ট তারিখে,সময় ও স্থানে শুনানী গ্রহণ করে নিস্পত্তি করা হয়। পক্ষগণ নিজে অথবা প্রয়োজনে মনোনীত প্রতিনিধির মাধ্যমে নিজ নিজ দাবী ‘‘আপত্তি অফিসারের’’ নিকট উপস্পাপন করতে পারেন। আপত্তি অফিসার পক্ষগণকে শুনানী দিয়ে, রায় কেস নথিতে লিপিবদ্ধ করে তাঁর সিদ্ধান্ত জানাবেন এবং খতিয়ান বা রেকর্ডে প্রয়োজনীয় সংশোধন আনবেন।

সংশ্লিষ্ট আপত্তি অফিসার/ সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার, উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিস।

 

আপত্তির রায়ে সংক্ষুদ্ধ পক্ষ ৩১ বিধিতে আপীর দায়ের করতে পারেন। নির্ধারিত কোর্ট ফি এবং কার্টিজ পেপারসহ সেটেলমেন্ট অফিসার বরাবর আবেদন দাখিলের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট আপত্তি মামলার রায়ের নকল গ্রহণ করতে হবে। নির্দিষ্ট ফরম পূরণের মাধ্যমে রায়ের ঐ নকলসহ আপীল দায়ের করতে হবে। সংশ্লিষ্ট পক্ষগণকে নোটিশ মারফত জ্ঞাত করে নির্দিষ্ট তারিখ, সময় ও স্থানে শুনানী গ্রহণ করে আপীল নিস্পত্তি করা হয়।

সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার/ চার্জ অফিসার/ জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসার

 

বিষয়

 কোর্ট ফি

 

(ক) আবেদনপত্র

১০.০০ টাকা

 

(খ) নকল (শব্দ)

   * ১ হতে ৩৬০

   * ৩৬১ হতে ৭২০

   * ৭২১ হতে ১০৮১

   * ১০৮২ হতে ১৪৪০

   * ১৪৪১ হতে ১৮০০

   * ১৮০১ হতে ২১৬০

   * ২১৬১ হতে ২৫২০

   * ২৫২১ হতে ২৮৮০

২.৫০ টাকা

৫.০০ টাকা

৭.৫০ টাকা

১০.০০ টাকা

১২.৫০ টাকা

১৫.০০ টাকা

১৭.৫০ টাকা

২০.০০ টাকা

 

চুড়ান্ত প্রকাশনা

আপত্তির রায় প্রদানের তারিখ থেকে (আপত্তির নকল সরবরাহের সময় বাদ দিয়ে) ৩০ দিনের মধ্যে আপীল দায়ের না করলে তামাদির কারণে আপীল অগ্রহণযোগ্য হবে আপীল  স্তরের পরে প্রণীত রেকর্ড বিষয়ে কেবল মাত্র তঞ্চকতা ও করণিক ভূলের অভিযোগ সেটেলমেন্ট অফিসারের নিকট প্রতিকার চাওয়া যায়। 

সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার/ চার্জ অফিসার/ জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসার

 

উপরোক্ত স্তর সমূহের কাজ সমাপ্তির পর আনুসঙ্গিক কার্যাদি সম্পন্ন করে পর্চা ও নক্সা মুদ্রুণ করা হয়। মুদ্রিুত নক্সা ও পর্চা নোটিশ / পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে চুড়ান্ত প্রকাশনায় দেয়া হয়। চুড়ান্তপ্রকাশনার জন্য সংশ্লিষ্ট উপজেলায় একটি ক্যাম্প স্থাপন করা হয়। চুড়ান্ত প্রকাশনার সময়কাল ৩০ কর্মদিবস। এ স্তরে ভুমি মালিকগণ মুদ্রিুত নক্সা ও পর্চা সরকার কর্তৃক নির্ধারিত মুল্যে ক্রয় করতে পারেন।

 

মুদ্রিত খতিয়ান সংশোধন

মুদ্রিত খতিয়ান ও মূল রেকর্ডের সহিত কোন গড়মিল হইলে তাহা সংশোধন করা হয়। ভূমি মালিকগণকে ভুলের বিবরন উল্লেখ করে আবেদন করতে হয়।

সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার।

ছবি নাম মোবাইল
মোঃ ছিদ্দিকুর রহমান ০১৭১৭-৩৭৭৯৫৯

ছবি নাম মোবাইল
মো: ছিদ্দিকুর রহমান 0

ছবি নাম মোবাইল

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলার সেটেলমেন্ট অফিসে বর্তমানে কোন গুরুত্বপূর্ন প্রকল্প নেই। নবীনগর উপজেলার সেটেলমেন্ট অফিসে গুরুত্বপূর্ন প্রকল্প আসলে উপজেলা পোর্টালে দেওয়া হবে।

মো: ছিদ্দিকুর রহমান

 

সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার

 

উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিস নবীনগর, ব্রাহ্মনবাড়িয়া।

 

সড়ক পথে

 

ঢাকা থেকে- কুমিল্লা সড়ক ধরে কোম্পানীগঞ্জ রাস্তা দিয়ে নবীনগর উপজেলা।

কুমিল্লা থেকে - কোম্পানীগঞ্জ রাস্তা দিয়ে নবীনগর উপজেলা।

নদী পথে

মেঘনা নদী পথে     ভৈরব হতে (বীরগাওঁ ইউনিয়ন) নবীনগর উপজেলায় মালামাল পরিবহন করা যায়।

 

বিঃদ্রঃ-রেল পথে নবীনগর উপজেলার সাথে কোন যোগাযোগ নাই।